Breaking News
Home / খেলাধুলা / সাকিবের এবারের সিপিএল যাত্রা

সাকিবের এবারের সিপিএল যাত্রা

স্পোর্টস ডেস্ক: ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের জন্য খেলতে পারেননি সিপিএলের শুরুর ম্যাচগুলো। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিস্ফলা ফাইনালের পরই বার্বাডোজের হয়ে খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফ্লাইটে উঠেন সাকিব আল হাসান। ফাইনালের হিসেব বাদে কমপক্ষে ৩টি ম্যাচ খেলার সুযোগ ছিলো তার সামনে। তবে বার্বাডোজ ফাইনাল খেলায় সবমিলিয়ে মোট ৬টি ম্যাচ পেয়েছেন সাকিব।

শুরুটা করেছিলেন নিজের মতো করেই। কিন্তু শেষটা ভালো হয়নি বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডারের। করতে পারেননি নিজের নামের সুবিচার। তবুও দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপার স্বাদ পেয়েছে বার্বাডোজ ট্রাইড্রেন্টস। আজ (রবিবার) টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে ২৭ রানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে দলটি। এর আগে ২০১৪ সালেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বার্বাডোজ।

বার্বাডোজের শিরোপা জেতার ম্যাচে সাকিবের অবদান ব্যাট হাতে ১৫ বলে ১৫ রান এবং বল হাতে ২ ওভারে কোনো উইকেট না পেয়ে ১৮ রান খরচ করা। একদমই আশানুরূপ হয়নি ফাইনালের পারফরম্যান্স। অবশ্য প্লেঅফের তিন ম্যাচের একটিতেও নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারেননি সাকিব। ব্যাটে-বলে উভয় দিকেই ছিলেন ব্যর্থ।

সেন্ট কিটসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এবারের সিপিএলে যাত্রা শুরু হয় সাকিবের। প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ম্যাচের প্রথম ওভারেই মেডেন তুলে নেন তিনি। ফলে হয় উড়ন্ত সূচনা। সে ম্যাচে বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচায় নেন ১টি উইকেট। পরে ব্যাট হাতেও খেলেন ২৫ বলে ৩৮ রানের এক ইনিংস।

প্রথম ম্যাচের এই উড়ন্ত সূচনা পরের ম্যাচগুলোতে ঠিক ধরে রাখতে পারেননি সাকিব। লিগপর্বের বাকি দুই ম্যাচে সেন্ট লুসিয়ার বিপক্ষে ব্যাট হাতে ২১ বলে ২২ এবং বল হাতে ৪ ওভারে ২০ রানে ১ উইকেট। পরে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে বল হাতে ৪ ওভারে ২৫ রানে ২ উইকেটের সঙ্গে ব্যাট হাতে ১৪ বলে ১৩ রান- এ দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সে সাকিব তার নিজের মান অনুযায়ী পাস মার্ক পেয়ে যাবেন।

কিন্তু প্লেঅফ পর্বের খেলা শুরু হতেই যেন নিজের ছায়ায় আড়াল হয়ে গেলেন সাকিব। প্রথম কোয়ালিফায়ারে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে স্মরণকালের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স করে বল হাতে খরচ করেন ৪ ওভারে ৪৬ রান এবং ব্যাট হাতে ৫ রান করতেই খরচ করেন ৯টি বল। এই ম্যাচে বাজে বোলিংয়ের কারণে পরের দুই ম্যাচে আর পুরো ৪ ওভার করার সুযোগই পাননি।

পরে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ত্রিনবাগোর বিপক্ষে ব্যাট হাতে দারুণ শুরুর পরেও তিনি আউট হয়ে যান ১২ বলে ১৮ রান করে। কিন্তু বল হাতে আবারো হতাশার জন্ম দিয়ে ২ ওভারে খরচ করেন ২৭টি রান। আর সবশেষ ফাইনাল ম্যাচের পারফরম্যান্স তো এখনো তরতাজা।

সবমিলিয়ে ৬ ম্যাচে ৯৬ বল খেলে ১১১ রান এবং বল হাতে ২০ ওভারে ৭.০০ ইকোনমি রেটে ৪ উইকেট। তাই বলাই যায়, দ্বীপ দেশ থেকে বাজে একটি সময় পার করলেন সাকিব। তবে হয়তো শিরোপার দিকে তাকিয়ে শান্তনা খুঁজতে চেষ্টা করবেন বাংলাদেশের টেস্ট এবং টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক।

Check Also

ফ্লাড লাইটে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে : ভেট্টোরি

স্পোটস ডেস্ক: গোলাপি বলে ফ্লাড লাইটে খেলাটা ব্যাটসম্যানদের জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করেন …

%d bloggers like this: