Home / ফিচার / ‘স্বপ্নটা হতে হবে আকাশের সমান’

‘স্বপ্নটা হতে হবে আকাশের সমান’

নিউজ ডেস্ক: সফল হতে সবাই চায় কিন্তু কয়জন জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে? জীবনে সফল হতে হলে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। সফলতার জন্য প্রতিভার পাশাপাশি প্রয়োজন ধৈর্য, প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি সে সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম। কর্পোরেট জগতে প্রতিদিনের যে চ্যালেঞ্জ থাকে তা মোকাবেলা করে নিজেকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যাওয়া খুব একটা সহজ নয়। শুধু তাই নয় অবস্থান ধরে রেখে থাকাটাও প্রতিদিন প্রতিমূহুর্তের চ্যালেঞ্জ। কর্পোরেট জগতের প্রতিদিনকার চ্যালেঞ্জ সামাল দিয়ে টিকে থাকা এই নায়কদের নিয়েই আমাদের আয়োজন ‘কর্পোরেট হিরো’।

কর্পোরেট জগতের এই হিরোদের নিয়ে বাংলা আয়োজন করেছে ধারবাহিক সাক্ষাৎকার। প্রতিটি সাক্ষাৎকারে থাকছে কর্পোরেট  দুনিয়ার একজন সফল ব্যক্তির জীবনে ঘটে যাওয়া স্মরণীয় ঘটনা, সফলতার কাহিনী, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং তরুণদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ।

আমাদের ‘কর্পোরেট হিরো’ ধারাবাহিক স্বাক্ষাতকার আয়োজনে এ পর্বে থাকছেন ইউনিমার্ক হোল্ডিংসের কর্ণধার শামীম আজাদ

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি :

শামীম আজাদের জন্ম ১৯৮২ সালের ২৩ মে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া গ্রামে। ৪ ভাই বোনের মধ্যে শামিম বড়।বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী তাই কিছুটা মায়ের শাসনেই বড় হয়েছেন চার ভাই-বোন। ছোটবেলা কেটেছে নিজ গ্রাম সিরাজগঞ্জেই। ধানগড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সরকারী বেগম নূরুণ নাহার তর্কবাগীশ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। ২০০১ সালে পড়াশোনা শেষে নিজ গ্রামেই একটি স্কুলে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সে কাজ ছেড়ে মাত্র ৫০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় আসেন শামিম। শুরু করেন সংগ্রাম। নিজেকে তৈরি করেন। চাকরি করেন কর্পোরেট জগতের বিভিন্ন সেক্টরে। এরই মধ্যে ২০০৮ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন আফরিন আজাদের সঙ্গে। বর্তমানে তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। নাম সাজিদ আজাদ।

ছেলেবেলা, বড় হবার স্বপ্ন, নিজেকে তৈরী করার গল্প :

স্কুল জীবন থেকে টিউশনি, বাবার ব্যবসায় নিয়মিত সাথে থাকা তারপর কলেজ পাশ করে এলাকার কয়েকজন বড়ভাইদের সাথে পার্টনারশীপ এ কিন্ডারগার্টেন স্কুল এবং কোচিং সেন্টার পরিচালনা করার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গন এবং সাংস্কুতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব প্রদানকারী একজন মানুষ হিসেবে জীবন শুরু করেন। অল্পবয়স থেকে স্বাবলম্বী হবার লক্ষ্যে কাজের নেশায় পাগল এই মানুষটি সবসময় নিজেকে তৈরী করতে ব্যস্ত থাকতেন। জীবনে বড় কিছু করতে হলে শিক্ষার পাশাপাশি যুগের সাথে নিজেকে তৈরী করতে হবে এই ধারণা থেকেই তিনি ইংরেজীর ও কম্পিউটারে পরিচালনায় দক্ষতা বাড়ানোতে নিয়মিত লেগে আছেন বিগত ২৩ টি বছর ধরে।

মজার এবং শিক্ষনীয় কিছু শেয়ার করতে গিয়ে তিনি বলেন, ইউ.এন.ডিপি. তে কর্মরত একজন কর্মকর্তা জনাব সাজ্জাদুল ইসলাম একদিন আমাকে খুজে বের করে তার প্রজেক্ট রিপোর্টটি কম্পিউটারে বাংলায় তৈরী করার জন্য কাজ দিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই তা আমি ডেলিভারি করায় তিনি তার অধীনে পার্টটাইম কাজের অফার দিয়ে বললেন কত বেতন চাই এবং আমি সাথে সাথে বল্লাম, ”আই ক্যান ওয়ার্ক অনলি ইফ ইউ টিচ মি ইংলিশ, নো স্যালারি আই নিড।” তিনি হেসে বলেন ”ডিল”। অবশ্য পরে তিনি বেতন ও দিতেন ইংরেজিতে কথা বলার প্র্যাকটিসের পাশাপাশি। নিজেকে আর ভালভাবে তৈরী করার জন্য তিনি গ্রামে ব্যবসা/চাকুরী ছেড়ে তিনি সিরাজগঞ্জ শহরের জেলা প্রশাসন পরিচালিত ইংরেজী মাধ্যম স্কুলে(সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল এ্যান্ড কলেজ) তিনি ২ বছর চাকুরী করার মাধ্যমে নিজেকে তৈরী করতে থাকেন। তার কথায় জীবনে লক্ষ্য অর্জন করতে হলে ধাপে ধাপে উন্নতি করতে হবে সবকিছু একসাথে অর্জন করা সম্ভব নয়। অসীম ধৈর্য্য এবং অদম্য ইচ্ছা শক্তি নিয়ে পরিশ্রম করে যেতে হবে। জীবনে কখনও হেরে যাওয়া চলবে না।

কর্পোরেট জীবনের শুরু :

তিনি কর্পোরেট জীবন শুরু করার জন্য ঢাকায় আসেন ২০০৫ এর শুরুর দিকে। মাত্র ৫০০ টাকা ধারে(প্রাক্তন কলিগ সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম থেকে) হাতে নিয়ে বন্ধুদের(সাদী, রাজু) মেস এ থেকে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে তিনি ৩ টি ইন্টার ভিউ দেবার পর তিনি ওয়ার্ল্ড রানার কুরিয়ারে কাষ্টমার সার্ভিস এক্্িরকিউটিভ হিসেবে কাজ শুরু করার ৭ দিনের মাথায় তার পছন্দের বাংলাদেশ চায়না মেম্বার এর সেক্রেটারী হিসেবে চাকুরীর নিয়োগ পান। সেখানে কিছুদিন কাজ করার সময়কালীন তিনি নিয়মিত ইন্টারভিউ দিয়ে যান বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। তিনি চাকুরী হলেও জয়েন করতেন না তার পছন্দ না হলে। তিনি বলেন হাতে কিছু একটা তো আছে। ভাল কিছু না হলে সামান্য বেতন বাড়ানোর জন্য চাকুরী পরিবর্তন করার কোন মানে হয় না। কিন্তু নিয়মিত ইন্টারভিউ দেয়ার কারণে তার মাঝে কনফিডেন্স চলে আসে এবং ইন্টারভিউ স্কিল ডেভেলপ করে। যার কারণে তিনি কিছুদিন পর বাংলালিংকে ইন্টারভিউ দিয়ে সফল হন এবং সিলেটে পোষ্টিং নিয়ে চলে আসেন। মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করলেও তার স্বাধীনতা ছিলনা নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজের মত করে কোম্পানীতে কন্ট্রিবিউট করা। তার মতে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে মিনিমাম ইনোভেটিভ এবং ইনডেপেন্ডেন্টলি কাজ করার সুযোগ না থাকলে সেই কাজ এর কোন মানে হয় না। যে কারণে তিনি বাংলালিংক ছেড়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার শর্তে তিনি সিলেটের টপ রিয়েল এস্টেট ব্র্যান্ড ”রয়েল সিটি”তে হেড অব সেলস এবং মার্কেটিং হিসেবে যোগ দেন। অবশেষে তিনি তার মনের মত একটি প্রতিষ্ঠান পেয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে মেধার সর্বোচ্চ বিলিয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। পরিচালনা পর্ষদের আস্থা, গ্রাহকদের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি ১০ টি বছর সেখানে কাটিয়ে দেন।

বাবা মারা যাবার পর মা এবং পরিবারকে দেখা শোনার সুবিধার্থে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং খুব সহজেই তিনি ঢাকার স্বমানধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ গ্রুপ এ তিনি হেড অব ওভারসিজ এবং কর্পোরেট হিসেবে প্রায় বছর দুয়েক এবং প্রাইম এ্যাসেট গ্রুপ এ ০৬ মাস কাজ করেন।

সফলতার চাবিকাঠি :

দীর্ঘ চাকুরী জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা নিয়ে কাজের পাশাপাশি বর্তমান সময়ে কর্মজীবনে সফল হতে গেলে আপনাকে রেগুলার লার্নিং এর মাঝে থাকার পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং এর কোন বিকল্প নেই; যে ইন্ডাষ্ট্রিতেই বা যে সেক্টরেই আপনি কাজ করেন না কেন। কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প হিসেবে আপনাকে স্মার্টলি কাজ করা জানতে হবে। স্মার্ট বলতে কতটা কম সময়ে আপনার দক্ষতা দিয়ে আপনি নির্ভূল ভাবে কাজটি ডেলিভারি করতে পারবেন সেটা ইম্পর্ট্যান্ট  । তিনি আর বলেন, নিজেকে সবসময় বিনয়ী হতে শেখানো টা খুব জরুরী যা আপনাকে অনেক বড় হতে সাহায্য করবে। আপনি বিনয়ী মানে আপনার শেখার প্রতি আগ্রহ আছে এবং আপনি খুব সহজে একজন মেন্টর পেয়ে যাবেন যা খুব জরুরী। আমার জীবনে মেন্টর হিসেবে পেয়েছি আমার বাবাকে যিনি আমাকে দুইটা জিনিস শিখিয়ে গেছেন একটা হল জীবনের সব পরিস্থিতিতে ধৈর্য্যশীল ও সৎ থাকতে হবে এবং কোন কাজকেই ছোট ভাবা যাবে না। এছাড়াও আরও দুজন মানুষকে মেন্টর হিসেবে পেয়েছি যাদের কাছে আমি এখনও আদরের ছোটভাই। তারা আমার রক্তের কেউ বা এলকার কেউ নন; একজন ১৭ তম বিসিএস এর তৎকালীন আমাদের উপজেলার এসি ল্যান্ড জনাব হামিদুল হক খান যার সাথে দীর্ঘ ২২ বছরের সম্পর্ক এবং যার অনুপ্রেরণায় এবং গাইডলাইনে আমি আজ জীবনে বড় স্বপ্ন দেখতে শিখেছি। অন্যজন হলেন জনাব খান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আমার সিলেট এর কর্মজিীবনের গার্ডিয়ান যার সহযোগিতায় রিয়েলে এস্টেট ক্যারিয়ার শুরু এবং সফল হতে পেরেছি।

ব্যবসা শুরুর গল্প :

জীবনের স্বপ্নটা বড় ছিল অনেক। আপনার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়ে এবং স্বপ্নটাও বড় হতে শুরু করে। রিয়েলে এস্টেট ক্যারিয়ারের ১২ বছর চাকুরী করার পর মনে হল এবার আরও চ্যালেঞ্জিং কিছু করা দরকার। আত্মবিশ্বাস ছিল প্রকট। মাকের্ট টাও খুব পরিচিত। ভাবলাম এখনই সময় ঝুঁকি নেয়ার। খুব বেশী ভাবতে গেলে কিছু করা হয়ে ওঠেনা। অনেকটা সাহস বুকে নিয়ে আমার সহধর্মিনী আফরিন আজাদকে শেয়ার করলাম আমার ইচ্ছের কথা। খুব অবাক হলাম তার কথা শুনে যে, তুমি পারবা; তোমাকে আমি কাছে থেকে দেখেছি কতটা সৎ, নিষ্ঠাবান এবং পরিশ্রমী মানুষ। তারপর আর পেছনে তাকাইনি আমি। শুরু করে দিলাম নতুন যাত্রা পূর্বাচলে একটি হাউজিং প্রজেক্ট  ”স্বপ্ননীড়” এবং আমার মেন্টর হামিদুল হক খানের সাথে পার্টনারশীপে সেরিন প্রপার্টিজ এর ব্যানারে শুরু হতে যাচ্ছে ”গ্রীণভিল” নামে আরও একটি প্রকল্প। প্রকল্পগুলো সফলভাবে শেষ করতে পারলে মুলধন দাড়াবে আশাকরি ৫০০ কোটি টাকা। আলহামদুল্লিাহ ব্যবসায়িক জীবনে আসার পর আর উৎসাহ পেয়েছি অনেক বন্ধুদের কাছে থেকে এবং অনেক ভালবাসা পেয়েছি আমার কলিগ এবং গ্রাহকদের কাছে থেকে। বাকি সময়গুলো এভাবে গেলে হয়ত একদিন অনেক বড় হতে পারব এবং একটা পরিবর্তনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।  এখনো সফল হয়ছেি বলব না কিন্তু পরিশ্রম করছি নিজেকে প্রতষ্ঠিতি করতে পাশাপাশি কিছু লোকের র্কমসংস্থান করে দিতে।

জীবনে ঘটে যাওয়া মজার কোন ঘটনা :

আমার জীবনে সুখরে অনকে স্মৃতি আছে।আমার বন্ধুরা বেশিরভাগ সময় আমাদের বাড়িতেই খেলতে আসতো। একবার রুমে বসে বন্ধুরা মজা করে র্কাড খেলছিলাম। মা সব সময় রুমের বাহিরে থেকে ডাক দিতো কিন্তু ঐদিন হঠাৎ সরাসরি রুমে চলে আসে। আমার বন্ধুরা সব যে যার মত পালায়। আমিও মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। অনেক ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু মা আমাকে কিচ্ছু বলেনি বরং আমার দিকে তাকিয়ে হেসে দিলেন। মায়ের হাসি দেখে ভয় কেটে যায়। সেদিন বুঝলাম মা হচ্ছে পরম বন্ধু। এরপর থেকে আর কখনো মায়ের কাছে কোন কিছু গোপন করতাম না।  মা কিন্তু আবার অনেক কঠোর ছিলেন পড়ালেখা নিয়েও এবং তার থেকে বেশী পারিবারিক মূল্যবোধ এর বিষয়ে, যেমন কলেজ লাইফে একটি মিথ্যে কথা বলে বাড়ীতে সন্ধ্যায় ফেরা হয়নি। বন্ধুর বাসায় থাকতে চেয়েছিলাম। মা সেই রাতে আমাকে খুজে বাসায় এনে অনেক পিটিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন জীবনে যেন মিথ্যে কথা না বলি। সত্যি বললে হয়ত তিনি কিছুই বলতেন না।

তরুণদের করণীয় এবং কিভাবে প্রস্তুতি নেয়া উচিত :

স্বপ্ন থাকতে হবে জীবনে অনেক বড় হবার। পাশাপাশি নিজেকে তৈরী করতে হবে সময় উপযোগী করে। ৪র্থ শিল্প বিপ্লব এর এই যুগে ধারণা করা হচ্ছে আগামী দিনগুলি অনেক চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে তবে সুখবর হলো যোগ্য করে নিজেকে তৈরী করতে পারলে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে ভাল কিছু করার। শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি ইংরেজি এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করতে হবে। নেটওয়ার্কিং এর বিকল্প নেই। ভাল সার্কেলে মেশা শুরু করুন। সব থেকে জরুরী প্রতিদিন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করুন। বই বা আর্টিকেল পড়ার নিয়মিত অভ্যাস গড়ে তুলুন। সবসময় পজিটিভ থাকবেন এবং পজিটিভ এটিটিউড ক্যারি করে তাদের সাথে মিশতে শুরু করেন। নেগেটিভ এনার্জি বা হতাশা থেকে নিজেকে দুরে রাখুন । দেরী হয়ে গেছে মোটেও ভাববেন না, আপনি চাইলে আজ থেকেই নিজেকে বদলানো শুরু করতে পারেন। বদলানো মনে নিজেকে আরও দক্ষ, এবং পরিশ্রমী করে গড়ে তুলুন। ধৈর্য্য ধরে কাজ করে যান। সফলতা আসবেই।

Check Also

টাকা না থাকলেও খেতে দেয় যে রেস্টুরেন্ট

ফিচার ডেস্ক: বাদশাহী শাসন আমলে মুসাফিরদের জন্য বিনা মূল্যে খাবারের ব্যবস্থা থাকতো। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে …

%d bloggers like this: