Breaking News
Home / জাতীয় / পদ্মা সেতুর ২.১ কি.মি. দৃশ্যমান:

পদ্মা সেতুর ২.১ কি.মি. দৃশ্যমান:

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন ২ দশমিক ১ কিলোমিটার পদ্মা সেতু দৃশ্যমান।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে পদ্মা সেতুর রক্ষণাবেক্ষণে কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

এ সময় পদ্মা সেতু কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের আপডেট হচ্ছে-পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সব কটি পাইল ড্রাইভিং-এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৩ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৭৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘নদী শাসন কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৬২ দশমিক ৫০ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৪৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। সংযোগ সড়কের অগ্রগতি ১০০ শতাংশ। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৩ দশমিক ৫০ শতাংশ।’

পদ্মা সেতুর মোট পিলার ৪২টি, এর মধ্যে ৩১টির কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বাকি ১১টির কাজ চলমান আছে। আশা করা যায়, ডিসেম্বর ২০১৯ এর মধ্যে মোট ৪২টি পিলারের কাজ শেষ হবে। মোট স্প্যান ৪২টি। মাওয়া সাইটে এই পর্যন্ত ট্রাস এসেছে ২৮টি, যার মধ্যে ১৪টি স্থাপন করা হয়েছে। ফলে এখন ২ দশমিক ১ কিলোমিটার পদ্মা সেতু দৃশ্যমান।’

পদ্মা নদীর ওপর নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর রক্ষণাবেক্ষণে কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।

Check Also

মহান ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ কাল

নিউজ ডেস্ক: মহান ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ আগামীকাল শুক্রবার। মাতৃভাষা আন্দোলনের ৬৮ বছরও পূর্ণ হবে এদিন। রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতি একুশের মহান শহীদদের প্রতি এদিন শ্রদ্ধা জানাবে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ একুশের প্রথম প্রহরে ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর পরপরই শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) ১৯৯৯ সালে মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালিত হচ্ছে। বাঙালি জাতির জন্য এই দিবসটি হচ্ছে চরম শোক ও বেদনার, অনদিকে মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত। যে কোন জাতির জন্য সবচেয়ে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার হচ্ছে মৃত্যুর উত্তরাধিকার-মরতে জানা ও মরতে পারার উত্তরাধিকার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদরা জাতিকে সে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার দিয়ে গেছেন। ১৯৫২ সালের এদিনে ‘বাংলাকে’ রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসকগোষ্ঠির চোখ-রাঙ্গানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে। মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শংকিত করে তোলায় সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। তাদের এই আত্মদান নিয়ে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সরদার ফজলুল করিম তার ‘বায়ান্নরও আগে’ প্রবন্ধে লিখেছেন ‘ বরকত, সালামকে আমরা ভালবাসি। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা বরকত সালাম আমাদের ভালবাসে। ওরা আমাদের ভালবাসে বলেই ওদের জীবন দিয়ে আমাদের জীবন রক্ষা করেছে। ওরা আমাদের জীবনে অমৃতরসের স্পর্শ দিয়ে গেছে। সে রসে আমরা জনে জনে, প্রতিজনে এবং সমগ্রজনে সিক্ত। ’ এদের আত্মদানের মধ্যদিয়ে আমরা অমরতা পেয়েছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ আমরা বলতে পারি দস্যুকে, বর্বরকে এবং দাম্ভিককে : তোমরা আর আমাদের মারতে পারবে না । কেননা বরকত সালাম রক্তের সমুদ্র মন্থন করে আমাদের জীবনে অমরতার স্পর্শ দিয়ে গেছেন।’ বরেণ্য শিক্ষাবিদ আবুল …

%d bloggers like this: