Home / অর্থনীতি / রূপালী ইলিশের সমারোহে খুশি জেলে-ব্যবসায়ীরা

রূপালী ইলিশের সমারোহে খুশি জেলে-ব্যবসায়ীরা

নিউজ ডেস্ক: ভোলার মেঘনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে রূপালী ইলিশ। এতে জমজমাট হয়ে উঠেছে মাছের আড়ৎগুলো। জেলে, আড়ৎদার ও পাইকারদের হাকডাকে সরগরম হয়ে উঠেছে জেলার মাছঘাটগুলো।

দেরিতে হলেও নদীতে মাছ ধরা পড়ায় হাসি ফুটে উঠছে জেলেদের মুখে। মাছ বিক্রির টাকায় লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশাবাদী জেলে পরিবারগুলো।

জেলেরা জানায়, এতোদিন নদীতে মাছের দেখা মেলেনি, এতে বেশিরভাগ জেলে দাদন আর মহাজনের দেনায় চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু গত তিন থেকে চারদিন ধরে নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে জেলেদের জালে। এতে ধারদেনা পরিশোধ হবে। লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।

ভোলার ঢালচর, পাতিলা, কুকরী মুকরী, সামরাজ, বকসি, পাঁচ কপাট, খেজুর গাছিয়া ও বেতুয়া ঘাটসহ বেশ কয়েকটি ঘাট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।

ঢালচর এলাকার জেলে জসিম ও শাহে আলম বলেন, গত কয়েক মাস সারাদিন জাল নিয়ে ছুটলেও ফিরতে হতো প্রায়ই খালি হাতে। কিছুদিন হলো এখন যা মাছ পাওয়া যাচ্ছে তা অনেক সন্তোষজনক। এক খেও দিয়ে ১০/১২ হাজার টাকার মাছ পাওয়া যাচ্ছে।

সামরাজ এলাকার জেলে আব্দুর রহমান বলেন, চারদিনে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করেছি। মাছের আমদানি অনেক ভালো। এতে অনেক জেলেই দাদন শোধ করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

চর পাতিলার মাছ ঘাটের আড়তদার আনোয়ার বলেন, নদীতে মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও আড়ৎদাররা অনেক খুশি। দিন যতো বাড়বে মাছের আমদানি আরো বাড়বে। এখানকার মাছ ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুর পাঠানো হয়ে থাকে।

মাহে আমল নামের এক আড়ৎদার জানান, মাছ ধরা পড়লেও মা ইলিশ অভিযান নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। কারণ শেষ মুহুর্তে মাছ ধরা পড়া শুরু করেছে। তবুও জেলেরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

ভোলা জেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, এ বছর ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। এখন পর্যন্ত ৪০/৪৫ মেট্রিক উৎপাদন হয়েছে। আশা করি ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। এ ইলিশ টানা ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

Check Also

রিফাত হত্যা: অভিযোগ গ্রহণ, ৯ আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা

নিউজ ডেস্ক: বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেছে আদালত। ২৪ জনকে আসামি করে দেয়া …

%d bloggers like this: