Home / রাজনীতি / ৩৩ একক প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার পথে

৩৩ একক প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার পথে

অর্থাৎ এই ৩৩ জনের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের সংখ্যা ৩৩ জনের চেয়ে বাড়তেও পারে।

পঞ্চম উপজেলা পরিষদের ভোট হচ্ছে পাঁচ ধাপে। এরমধ্যে প্রথম ধাপে ৮৬ উপজেলা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১২৪ উপজেলায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা।

নির্বাচন কমিশনের সহকারী সচিব আশফাকুর রহমান মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, প্রথম ধাপে ৮ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে ২৫ জন একক প্রার্থী রয়েছেন। বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থী হলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আভাস দেন তিনি।

২০০৯ সালে ২২ জানুয়ারি এক দিনেই দেশের সব উপজেলায় ভোট হয়। তাতে ১২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

সর্বশেষ ২০১৪ সালে পাঁচ ধাপে ভোট হয়। আওয়ামী লীগ-বিএনপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় দুই ধাপে; শেষে ব্যবধান বাড়িয়ে বেশিরভাগ উপজেলায় জয় পায় আওয়ামী লীগ।

এবার দলীয় প্রতীকে ভোট হচ্ছে উপজেলায়। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতির অভিযোগ তোলার পর এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বিএনপি।

ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের জৌলুস নেই বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

সোমবার দ্বিতীয় ধাপের উপজেলাগুলোয় মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল।

এ ধাপের নির্বাচনে ২৫ জন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ১৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পাঁচজন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান ছয়জন।

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান পদের সবকটিতেই একক প্রার্থী পাবনা সদর, ফরিদপুর সদর, নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায়।

১৪টি উপজেলার চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলার সাতটি উপজেলার পাঁচটিতেই চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন। সেগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও রাউজান। বাকি দুটির উপজেলার হাটহাজারীতে দুইজন ও ফটিকছড়িতে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন।

এছাড়া যেসব উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- বগুড়ার আদমদীঘি, নওগাঁ সদর, পাবনা সদর, মৌলভীবাজার সদর, ফরিদপুর সদর, নোয়াখালীর হাতিয়া, রাংগামাটির কাপ্তাই, খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি।

যে পাঁচটি উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- পাবনা সদর, ফরিদপুর সদর ও বোয়ালমারী, নোয়াখালীর হাতিয়া এবং চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা।

আর যে ছয়টি উপজেলায় সংরক্ষিত বা নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী সেগুলো হচ্ছে- পাবনা সদর, সিলেটের কানাইঘাট, ফরিদপুর সদর, নোয়াখালীর হাতিয়া এবং চট্টগ্রামের রাউজান ও মিরসরাই উপজেলা।

এর আগে প্রথম ধাপে মনোনয়নপত্র জমার পর একক প্রার্থী  থাকায় ৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে চারজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুজন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুজন।

চেয়ারম্যান পদে জামালপুরের সরিষাবাড়ি, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও জয়পুরহাট সদর উপজেলায়; ভাইস চেয়ারম্যান পদে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও উল্লাপাড়ায় একজন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে একজন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

Check Also

খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলো গণফোরাম

রাজনীতি ডেস্ক: ঈদুল ফিতরের আগেই বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেছে গণফোরাম। রোববার গণফোরাম …

%d bloggers like this: