Home / ফিচার / সোনার চেইন তৈরি করে কিভাবে?

সোনার চেইন তৈরি করে কিভাবে?

ফিচার ডেস্ক:  ভারতে ও বাংলাদেশে অলঙ্কার হলো সঞ্চয়ের সনাতন রূপ, এর মধ্যে স্বর্ণালঙ্কার সহজে মুদ্রায় রূপান্তর করা যায় বলে তা অতি মূল্যবান হিসেবে পরিগণিত। অলঙ্কার প্রায়শ মোহিনী শক্তির বা ধর্মীয় বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং তা অঙ্গে ধারণ করা হয় অশুভ শক্তি প্রতিহত করতে বা সুখ-সমৃদ্ধি বাড়াতে।
ফুল, পালক, দাঁত, প্রাণীদেহের শক্ত আবরণ থেকে আরম্ভ করে রুপা, সোনা, মুক্তা, হীরা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর আবহমান কাল থেকে অলঙ্কার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

সমসাময়িক সাহিত্য থেকে নরনারী উভয়ের অব্যাহত অলঙ্কার প্রীতির কথা জানা যায়। পুরুষ ও নারী উভয়েই আঙুলে আঙটি ও কানে মাকড়ি পরত। এগুলির সঙ্গে পুরুষরা পাগড়িতেও অলঙ্কার পরত। মেয়েরা পরত বলয় যা নানা নামে পরিচিত, যেমন বালা, কঙ্কন ইত্যাদি। এ ছাড়াও তারা পরত সাতলহরী নামের পাঁচ থেকে সাত ছড়ি সোনার গুটি মালিকা, দশ আঙুলে দশটি অঙ্গুরীয় এবং রুপার মল। ষোল শতকের বাংলার অভিজাত মুসলমানরা রুপার খঞ্জর বহন করত।

বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ণ এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে বহু মহিলা প্রথাগত সোনার হার, চুড়ি ও কানের মাকড়ি পরিহার করে চলছে। পরিবর্তে আরও প্রাচীন ঐতিহ্যপ্রধান রুপার অলঙ্কার, এমনকি তামা ও পিতলের অলঙ্কার পছন্দ করছে।
এতে জাতীয় রূপ সন্ধান ও গৌরববোধ বিজড়িত।

Check Also

বিজ্ঞান ও ধর্মগ্রন্থসমূহে করোনাভাবনা

নিউজ ডেস্ক: কোনো সন্ত্রাসী বা জঙ্গিগোষ্ঠী নয়। পারমাণবিক বোমার হুমকি নয়। পৃথিবীব্যাপী একটাই ত্রাস, করোনাভাইরাস। …

%d bloggers like this: