Home / বিনোদন / টেলিভিশন / সৃজিতের গরু খাওয়া নিয়ে যা বললেন নুসরাত

সৃজিতের গরু খাওয়া নিয়ে যা বললেন নুসরাত

নিউজ ডেস্কঃ কয়েকদিন আগে মডেল-কয়েকদিন আগে মডেল-অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে বিয়ে করেন নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। এরপর সম্প্রতি প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে এসে এ নির্মাতার গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

হিন্দু ধর্মাবলম্বী হয়ে সৃজিতের গরুর গোশত খাওয়া কেউ কেউ মেনে নিতে পারেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। তবে অনেকে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।

টুইটারে সৃজিতকে উদ্দেশ্য করে একজন মন্তব্য করেন, ‘অপেক্ষায় আছি যখন আপনি শ্বশুরবাড়ির খাবারের তালিকায় পর্ক (শূকরের মাংস) রাখবেন। আমার ধারণা আপনার শাশুড়ি পর্ক রান্না করতে পছন্দ করবেন।’ উত্তরে সৃজিত লেখেন, ‘তিনি পর্ক খান না ও রান্নাও করেন না, যেমন আমার মা গরু খান না ও রান্নাও করেন না। কিন্তু আমি সব খাই। আপনার মতো পৃথিবীতে যত কীট আছে, সব। আপনাকে তামাকের সঙ্গে খেতে অনেক ভালো লাগবে।’ সৃজিতকে সমর্থন জানিয়ে টুইটটি রিটুইট করেন নুসরাত। ক্যাপশনে লেখেন, ‘গুড ওয়ান। খাদ্য শৃঙ্খল সম্পর্কে ওদের জানা নেই। ক্ষমা করে দাও।’

এর আগে টুইটারে খাবারের ছবি পোস্ট করে সৃজিত লেখেন, শ্বশুরবাড়ির প্রথম অফিশিয়াল ভুরিভোজ। ঝিরিঝিরি আলুভাজা, লইট্যা শুঁটকি, ডাল, কড়াইশুঁটি দিয়ে পাবদা মাছ, মুরগির ঝোল আর বাঁধাকপি দিয়ে গরুর গোশত।

কিন্তু হিন্দু ধর্মাবলম্বী হয়ে সৃজিত কেন গরুর গোশত খেলেন তা নিয়ে আপত্তি জানান এক টুইটার ব্যবহারকারী। সৃজিতের টুইটে মন্তব্য করেন, ‘হিন্দুর নামে কলঙ্ক আপনি। আপনাকে খুব সম্মান করতাম। কিন্তু এই পোস্টটার পর থেকে আপনাকে এখন খুব ঘৃণা করি। আপনি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করুন।’

অবশ্য এর জবাবও দিয়েছেন সৃজিত। এই নির্মাতা লেখেন, ‘হিন্দুধর্ম নিয়ে কথা আপনার মতো অশিক্ষিতের মুখে বেমানান। ঋগ্বেদ, মনুস্মৃতি ও গৃহসূত্রের কিছু শ্লোক দেব খাওয়া–দাওয়া নিয়ে, রোজ সকালে কান ধরে ছাদে দাঁড়িয়ে মুখস্থ করবেন। ভদ্রভাবে বোঝালাম, নয়ত মনে রাখবেন, বাইশে শ্রাবণের সংলাপ কিন্তু আমারই লেখা।

রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে বিয়ে করেন নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। এরপর সম্প্রতি প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে এসে এ নির্মাতার গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

হিন্দু ধর্মাবলম্বী হয়ে সৃজিতের গরুর গোশত খাওয়া কেউ কেউ মেনে নিতে পারেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। তবে অনেকে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।

টুইটারে সৃজিতকে উদ্দেশ্য করে একজন মন্তব্য করেন, ‘অপেক্ষায় আছি যখন আপনি শ্বশুরবাড়ির খাবারের তালিকায় পর্ক (শূকরের মাংস) রাখবেন। আমার ধারণা আপনার শাশুড়ি পর্ক রান্না করতে পছন্দ করবেন।’ উত্তরে সৃজিত লেখেন, ‘তিনি পর্ক খান না ও রান্নাও করেন না, যেমন আমার মা গরু খান না ও রান্নাও করেন না। কিন্তু আমি সব খাই। আপনার মতো পৃথিবীতে যত কীট আছে, সব। আপনাকে তামাকের সঙ্গে খেতে অনেক ভালো লাগবে।’ সৃজিতকে সমর্থন জানিয়ে টুইটটি রিটুইট করেন নুসরাত। ক্যাপশনে লেখেন, ‘গুড ওয়ান। খাদ্য শৃঙ্খল সম্পর্কে ওদের জানা নেই। ক্ষমা করে দাও।’

এর আগে টুইটারে খাবারের ছবি পোস্ট করে সৃজিত লেখেন, শ্বশুরবাড়ির প্রথম অফিশিয়াল ভুরিভোজ। ঝিরিঝিরি আলুভাজা, লইট্যা শুঁটকি, ডাল, কড়াইশুঁটি দিয়ে পাবদা মাছ, মুরগির ঝোল আর বাঁধাকপি দিয়ে গরুর গোশত।

কিন্তু হিন্দু ধর্মাবলম্বী হয়ে সৃজিত কেন গরুর গোশত খেলেন তা নিয়ে আপত্তি জানান এক টুইটার ব্যবহারকারী। সৃজিতের টুইটে মন্তব্য করেন, ‘হিন্দুর নামে কলঙ্ক আপনি। আপনাকে খুব সম্মান করতাম। কিন্তু এই পোস্টটার পর থেকে আপনাকে এখন খুব ঘৃণা করি। আপনি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করুন।’

অবশ্য এর জবাবও দিয়েছেন সৃজিত। এই নির্মাতা লেখেন, ‘হিন্দুধর্ম নিয়ে কথা আপনার মতো অশিক্ষিতের মুখে বেমানান। ঋগ্বেদ, মনুস্মৃতি ও গৃহসূত্রের কিছু শ্লোক দেব খাওয়া–দাওয়া নিয়ে, রোজ সকালে কান ধরে ছাদে দাঁড়িয়ে মুখস্থ করবেন। ভদ্রভাবে বোঝালাম, নয়ত মনে রাখবেন, বাইশে শ্রাবণের সংলাপ কিন্তু আমারই লেখা।

Check Also

মায়ের মৃত্যুর একদিন পরই শুটিংয়ে মল্লিক

বিনোদন ডেস্ক : সবাইকে হাসাতেই পর্দায় আসতেন তিনি। সেই কাঞ্চন মল্লিকের মায়ের মৃত্যুর পর পেশাদারিত্বের …

%d bloggers like this: