Home / অর্থনীতি / শেষ মুহূর্তে জমজমাট ফ্রিজের বেচাকেনা

শেষ মুহূর্তে জমজমাট ফ্রিজের বেচাকেনা

নিউজ ডেস্ক: একদিকে গরম, অন্যদিকে কোরবানির ঈদ। দুইয়ে মিলে ফ্রিজ বিক্রেতাদের ভরা মৌসুম। এই মৌসুমে বিক্রি বাড়াটাই স্বাভাবিক। এ সময় সাধারণত বিক্রেতারা মূল্যছাড় দেয় না বললেই চলে। মূল্যছাড়ের ছড়াছড়ি থাকে অফ সিজনেই। তবে এবার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানকেই ক্রেতা টানতে বিভিন্ন ধরনের ছাড় দিয়ে ফ্রিজ বিক্রি করতে দেখা গেছে। দেশে অতিবৃষ্টি ও বড় বন্যার শঙ্কায় ফ্রিজের বিক্রি কমে যাওয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিল বিক্রেতারা। তবে শেষ মুহূর্তে অর্থাৎ ঈদের ঠিক সপ্তাহখানেক আগে এসে প্রচুর ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

তথ্য মতে, ঈদের আগে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ১০ শতাংশ ছাড়ে, আরএফএলের বেস্ট বাই এ ৫ শতাংশ এবং মার্সেলকে ১০ শতাংশ ছাড়ে ফ্রিজ বিক্রি করতে দেখা গেছে। অন্যান্য কম্পানিও নানা ভ্রমণের অফার দিয়ে ফ্রিজ বিক্রি করছে। তবে বেশির ভাগ কম্পানিই বন্যার শঙ্কায় ধরেই নিয়েছিল এবার ফ্রিজের বিক্রি জমজমাট হবে না। কিন্তু দ্রুত বন্যা নেমে যাওয়ায় ফ্রিজের বিক্রিও বেড়ে গেছে। ঈদের আগের শেষ সপ্তাহের জমজমাট বিক্রিতে স্বস্তি এসেছে বলে জানা গেছে।

ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ফিরোজ আলম বলেন, বন্যা দ্রুত কেটে যাওয়ায় বিক্রি আশানুরূপ হয়েছে। বিশেষ করে সপ্তাহখানেক ধরেই ফ্রিজের বিক্রি জমজমাট। আজ (বৃহস্পতিবার) ও কালকের মধ্যে আমাদের একটি ভালো পোর্টফোলিও দাঁড়াবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, আমাদের গ্রোথ রেট ২৫ শতাংশের কাছাকাছি। ঈদের আগের দিনে হয়তো এটি ৩০-এর কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। ঢাকার স্টেডিয়াম মার্কেটগুলোতে এখন বিক্রেতাদের দম ফেলার সময় নেই। বিক্রেতারা অর্ডার নিচ্ছেন এবং সে অনুযায়ী বাসায় ফ্রিজ পৌঁছে দিচ্ছেন। কোরবানির ঈদের আগে আগে প্রতিবছরই এ রকম ভিড় জমে মার্কেটগুলোতে। কারণ মাংস সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ না হলে এখন আর চলেই না। তাই ঈদের আগেই সেটা বিক্রি বেড়ে যায়। মার্কেটের বেঙ্গল ইলেকট্রনিকসের শোরুম থেকে ফ্রিজ কেনেন কেরানীগঞ্জ থেকে আসা আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, ‘আমার পুরনো ফ্রিজটা নষ্ট হয়ে গেছে। আর ঈদের আগে তো একটা ফ্রিজ দরকার। তাই ফিজটা কিনে ফেললাম। ’ স্টেডিয়াম মার্কেটের বিক্রেতা কৌশিক জানান, বন্যার কারণে তো বিক্রি একেবারেই কমে গিয়েছিল। ভেবেছিলাম এবার বুঝি মন্দাই যাবে। তবে ১০-১২ দিন আগেও তেমন একটা বিক্রি ছিল না। তিন-চার দিন ধরে ভালো বিক্রি হচ্ছে। আজ ও কাল এই ধারাবাহিকতা থাকলেই আমাদের ব্যবসা ভালো হবে আশা করছি।

মার্সেলের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, শেষ মুহূর্তে এসে ফ্রিজের বিক্রি গতবারের চেয়েও বেশি হচ্ছে। আমাদের গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমাদের গ্রোথ রেট ৮৬ শতাংশ। শেষ মুহূর্তের জমজমাট বিক্রিতে আমরা সন্তুষ্ট। ওয়ালটনের বিক্রয় প্রতিনিধি ও পরিবেশকরা জানিয়েছেন, মার্চ মাস থেকে বৃষ্টি এবং সাম্প্রতিক বন্যায় ফ্রিজ বিক্রিতে মন্দাভাব ছিল। কিন্তু চলতি মাসের প্রথম দিনে এক লক্ষাধিক ফ্রিজ বিক্রি করেছে ওয়ালটন।

Check Also

ডিএসইতে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

নিউজ ডেস্ক: একদিন উত্থানের পর টানা চার কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের পতন হয়েছে। সপ্তাহের …

%d bloggers like this: