Home / জাতীয় / শুরু হলো দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচী

শুরু হলো দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচী

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশ থেকে জলাতঙ্ক রোগ নির্মুলের লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে শুরু হয়েছে ব্যাপক হারে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচী। ২০২২ সালের মধ্যেই গোটা দেশ থেকে কুকুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে সারা দেশব্যাপী রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। ১৪ তারিখ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পাঁচটি অঞ্চলের আওতায় ৭৫ টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচী পরিচালিত হবে।

এ কর্মসূচীতে প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য তিনজন দক্ষ কুকুর ধরার লোক, একজন ভ্যাকসিনেটর, একজন ডাটা সংরক্ষণকারী এবং একজন লোকাল মানুষ মোট ছয়জন নিয়ে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা অত্যন্ত সুকৌশলে প্রায় প্রতিটি কুকুরকে জালের মধ্যে আটকিয়ে নির্দিষ্ট পরিমান ভ্যাকসিন কুকুরের পায়ের মাংসপেশীতে দিয়ে থাকে। ভ্যাকসিন দেবার পর প্রতিটি কুকুরের গায়ে অস্থায়ী লাল রং লাগিয়ে দেয়া হয়, যাতে একটি কুকুরকে কর্মসূচী চলাকালীন একের অধিক ভ্যাকসিন না দেয়া হয়।

গত ৯ তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেইট খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত ‘জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ব্যাপক হারে কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক উদ্বোধন করেন।

জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক ব্যাধি যা একবার হলে মৃত্যু অনিবার্য। সাধারণত কুকুরের কামড় থেকেই ৯০ ভাগ জলাতঙ্ক রোগ হয়। কিন্তু কুকুর আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে ও ভীষণ প্রভুভক্ত প্রাণি; বিধায় কুকুর হত্যা করাও সম্ভব নয়। এ অবস্থায় জলাতঙ্ক রোগ যাতে না হতে পারে; কুকুরকেও যাতে হত্যা না করতে হয়; তার জন্য কুকুরকে টিকা দেবার মাধ্যমে দেশ থেকে জলাতঙ্ক সমস্যা একেবারে নির্মূল করা সম্ভব হবে।

এ কার্যক্রমের আওতায় প্রায় ১২ লাখ আটত্রিশ হাজার কুকুরকে জলাতঙ্কের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হয়েছে। ১৪ মে হতে ২০ মে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সকল ওয়ার্ডে ব্যাপকহারে কুকুরের ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জলাতঙ্ক রোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১৬ লাখ কুকুর রয়েছে। এই কুকুরগুলোর মধ্য থেকে শতকরা ১ ভাগ কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। কুকুর ছাড়াও বিড়াল, বেজি, শিয়াল বা বানরের কামড়েও জলাতঙ্ক হতে পারে।

 

 

Check Also

চাল আমদানিতে শুল্ক-কর বাড়ল

জাতীয় ডেস্ক: বুধবার বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ. মুমেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে …