Home / জাতীয় / পুঁজিবাজার: ৬০ শতাংশ ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে

পুঁজিবাজার: ৬০ শতাংশ ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে

নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রভাবে সারা বিশ্বের পুঁজিবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশের পুঁজিবাজারেও।

যদিও গত কয়েক বছর ধরেই দেশের পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। এর ধারাবাহিকতায় বিদায়ী বছরে ব্যাংক খাতের তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানিগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমে গিয়েছিল।

তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোতে বিনিয়োগ বাড়াতে শুরু করেছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। দীর্ঘ মন্দা পরিস্থিতি বিরাজের পর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়াকে ইতিবাচক বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রতিটি তফসিলি ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করতে পারবে বলে সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সে হিসাবে ৫৯টি তফসিলি ব্যাংকের পুঁজিবাজারে বিদ্যমান বিনিয়োগের বাইরেও আরো সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। পুঁজিবাজারের ব্যাংকসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়াতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৩০টি।  চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংক খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে।  ডিএসইতে এ খাতে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১৮টিতে বা ৬০ শতাংশ, বিনিয়োগ কমেছে ১০টিতে বা ৩৩ শতাংশ এবং বিনিয়োগ স্থিতিশীল রয়েছে ২টিতে বা ৭ শতাংশ। সে হিসেবে চলতি বছরের জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়েছে।

এর আগে জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছিল ১৩টি ব্যাংকে, কমেছে ১৩টি ব্যাংকে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২টি ব্যাংকে।  জানুয়া‌রিতে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেনি ২টি ব্যাংক। সে হিসেবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ স্থিতিশীল ছিল।

তবে করোনার প্রভাবে শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক পতন ঠেকাতে গত ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কোম্পানিগুলোর শেয়ার ও ইউনিট দরের সার্কিট ব্রেকারের ফ্লোর প্রাইসের (যে দরের নিচে নামতে পারবে না) সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নেওয়া পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশ্লিষ্টরা।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক মন্দা পরিস্থিতিতে ব্যাংক খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়াটা ইতিবাচক। ব্যাংকগুলোর বিশেষ তহবিল গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়েছেন।’

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক  বলেন, ‘বিগত কয়েক বছর ধরেই আমাদের পুঁজিবাজারে মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করছে।  তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিটি তফসিলি ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করতে পারবে বলে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনার আলোকই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন খাতে কিছুটা বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।’

ডিএসই’র ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংক খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের হালনাগাদ তথ্য নিম্নে তুলে ধরা হলো-

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়া ব্যাংকগুলো

এবি ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.০৭ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৪.১৭ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪.২৪ শতাংশে।

ব্যাংক এশিয়াতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.১৬ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৩.৪৮ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩.৬৪ শতাংশে।

ব্র্যাক ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.৩৫ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৬.৫১ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৮৬ শতাংশে।

সিটি ব্যাংকে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ০.০৫ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ২০.৫৯ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০.৬৪ শতাংশে।

ঢাকা ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.১২ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১২.৯৩ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩.০৫ শতাংশে।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.৭০ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২.২৯ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৯৯ শতাংশে।

ইস্টার্ন ব্যাংকে (ইবিএল) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.০১ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৪৪.৪৯ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪.৫০ শতাংশে।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.১২ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ১৫.৯২ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.০৩ শতাংশে।

আইএফআইসি ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.৪০ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২২.৩৩ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩.৭৩ শতাংশে।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.০৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৭.১২ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.২০ শতাংশে।

প্রিমিয়ার ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.৩৫ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১০.৭৯ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১.১৪ শতাংশে।

প্রাইম ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.০১ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৭.০১ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭.০২ শতাংশে।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.০৯ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৭.৪৩ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.৫২ শতাংশে।

এসআইবিএল ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২.১০ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫৯.১৩ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.২৩ শতাংশে।

সাউথইস্ট ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.১৬ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৩.০৪ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩.২০ শতাংশে।

ট্রাস্ট ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.০৪ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৭.১৫ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.১৯ শতাংশে।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.১৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৮.৯৫ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.১৩ শতাংশে।

উত্তরা ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ০.১২ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৯.৫০ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৬২ শতাংশে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমে যাওয়া ব্যাংকগুলো

আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠনিক বিনিয়োগ কমেছে ১.১৭ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২১.১৪ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.৯৭ শতাংশে।

এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংকে (এক্সিম) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ২০.০৩ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৩.৫৯ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশে।

আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.০৩ শতাংশ।  জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ২২.৩৬ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ২২.৩৩ শতাংশে।

যমুনা ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.২৭ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.৫৯ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৩২ শতাংশে।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে (এমটিবি) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.২০ শতাংশ। জানুয়ারিতে ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২১.৩৮ শতাংশ।  ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ২১.১৮ শতাংশে।

ন্যাশনাল ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.০৭ শতাংশ। জানুয়ারিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২০.৬৬ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ২০.৫৯ শতাংশে।

ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংকে (এনসিসি) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.৩০ শতাংশ।  জানুয়ারিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৯.১৮ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ১৮.৮৮ শতাংশে।

ওয়ান ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.২৭ শতাংশ। জানুয়ারিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৬.৬৬ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ১৬.৩৯ শতাংশে।

পূবালী ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.১০ শতাংশ। জানুয়ারিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৬.৮৮ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ২৬.৭৮ শতাংশে।

রূপালী ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ০.০২ শতাংশ। জানুয়ারিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.৪৯ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৪৭ শতাংশে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ স্থিতিশীল থাকা ব্যাংকগুলো

এ বছরের জানুয়ারির মতোই ফেব্রুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১২.১৯ শতাংশ। আর স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ দাড়িয়েছে ২১.৯৬ শতাংশ।

Check Also

রাতে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) …

%d bloggers like this: