Home / দেশজুড়ে / নীলফামারীতে চীন ফেরত ৩৫জন শংকামুক্ত, শেষ হয়েছে কোয়ারেন্টিন

নীলফামারীতে চীন ফেরত ৩৫জন শংকামুক্ত, শেষ হয়েছে কোয়ারেন্টিন

নিউজ ডেস্ক: নীলফামারীতে চীন ফেরত ৩৫ জনই শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এদের মধ্যে ৩৪ জন হোম কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন হয়েছে এবং একজন এখনো কোয়ারান্টিনে আছেন।
তবে তারা সকলেই আশংকামুক্ত এবং সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জন। এদিকে, আধুনিক সদর হাসপাতালে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত বছরের ১লা ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১মার্চ পর্যন্ত জেলার ছয় উপজেলায় চীন থেকে ফেরত এসেছেন ৩৫ জন।

এদের মধ্যে রয়েছেন জেলা সদরে ৮জন, ডোমার উপজেলায় ৮জন, ডিমলা উপজেলায় ৬জন, জলঢাকা উপজেলায় ৬জন, সৈয়দপুর উপজেলায় ৪জন এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলায় তিনজন। ৩৫ জনের মধ্যে গত বছরের ১লা ডিসেম্বর চীন থেকে বাড়িতে এসেছিলেন একজন। এরপর জানুয়ারী মাসে ১৩ জন, ফেব্রুয়ারী মাসে ২০ জন এবং চলতি মার্চ মাসে একজন।

গত১৪ই ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ফেরত আসা ৩৪ জনের হোম কোয়ারেন্টিন সমাপ্ত হয়েছে অনেক আগেই। তারা শঙ্কামুক্ত হওয়ায় বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।

১লা মার্চ  চীন থেকে জলঢাকার নিজ বাড়িতে এসেছেন ২১বছর বয়সী এক যুবক। সে ১৩ দিন কোয়ারেন্টিনে আছে। এখন পর্যন্ত তার মধ্যে কোন লক্ষণ পাওয়া যায়নি।

নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকা ওই যুবক সুস্থ্য থাকার কথা জানিয়ে বলেন, আমি চায়নার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। করোনাভাইরাস সম্পর্কে আমি সচেতন। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারী দেশে এসে ২৯শে ফেব্রুয়ারী থেকে বাড়িতে অবস্থান করছি। এর মধ্যে কোয়ারেন্টিনের সময় প্রায় শেষ। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা কয়েক দফায় বাড়িতে এসেছিলেন। ফোনে বিভিন্ন সময় খোঁজ খবর নিয়েছেন।

সিভিল সার্জন রণজিৎ কুমার বর্মণ বলেন, স্বাস্থ্য কর্মীরা এসব ব্যক্তির নিয়মিত দেখাশোনা করছেন। আমরাও গিয়ে তাদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছি। হোম কয়েন্টাইন নিয়ে বলেন, তারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাদের নিজ বাড়ির একটি ঘরে থাকবেন। ওই সময়ের মধ্যে পরিবারের সদস্যরা তার সংস্পর্শে আসবেন না।

তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আধুনিক সদরহাসপাতালের ৫০শয্যা প্রস্তুত রয়েছে সার্বক্ষনিক। রয়েছে থার্মার স্কানার, প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং ঔষধপত্র।

এদিকে, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, আপাতত জনসমাগম ঘটে এমন সব অনুষ্ঠান স্থগিত রাখা হয়েছে। উদ্বেগ বা আতংক নয় বরং আমরা সচেতনতা সৃষ্টি করি।

তিনি আরও বলেন, বিদেশ থেকে যারা আসবেন, তাদের তথ্য জেলা প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। ছাড়া তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে।

Check Also

মানিকগঞ্জে পাটুরিয়া ফেরিঘাট ও আরিচাঘাট এলাকায় তীব্র ভাঙন

নিউজ ডেস্ক: মানিকগঞ্জে পদ্মা-যমুনা নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি ও গত কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিতে নদী …

%d bloggers like this: