Home / জাতীয় / খুলছে টাঙ্গাইলের শপিংমলগুলো, চলছে প্রস্তুতি

খুলছে টাঙ্গাইলের শপিংমলগুলো, চলছে প্রস্তুতি

নিউজ ডেস্কঃ টানা দেড় মাস বন্ধ থাকার পর সরকারী নির্দেশ মেনে রোববার (১০ মে) থেকে খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে টাঙ্গাইলের শপিংমল ও বিপনি বিতানগুলো।

শনিবার (৯ মে) থেকেই শুরু হয়েছে শো-রুমগুলোর ধোয়া মোছার কাজ।

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর গত ২২ মার্চ দেশের সব দোকান মালিকদের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিজ্ঞপ্তিতে গত ২৫ মার্চ থেকে সব দোকান-শপিংমল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

পরবর্তীতে গত সোমবার (৪ মে) আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, আগামী ১০ মে থেকে সারাদেশে সীমিত পরিসরে দোকানপাট ও শপিং মল খোলা যাবে। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশনা মেনে শপিং মল ও দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে বলে জানানো হয়।

কিন্তু সরকারি এমন সিদ্ধান্তের পরও রাজধানীসহ সারাদেশে বেশকিছু জেলায় সব শপিংমল-বিপনি বিতান ঈদের আগে না খোলার সিদ্ধান্ত নেয় মালিক সমিতি। কারণ হিসেবে করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়াকেই দেখাচ্ছেন তারা। কিন্তু সারা দেশে ব্যবসায়ীরা এমন সিদ্ধান্ত নিলেও ভিন্ন পথে হাঁটছেন টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ীরা। সরকারি সিদ্ধান্তের সাথে একমত হয়ে মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে তার প্রস্তুতিও।

শনিবার দুপুরে শহরের পৌর এলাকার বিপনি বিতান পাড়া জেলা সদর সড়কে গিয়ে দেখা যায়, শো-রুম-মার্কেটগুলো ধোয়া মোছা করছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকে আবার দোকানের প্রধান ফটক অর্ধেক খুলে রেখেছেন।

জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খান আহমেদ শুভ জানান, সরকারি সিদ্ধান্তের সাথে এক হয়ে রোববার থেকে জেলার মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলোর মধ্যে আংশিক খুলবে। এ ব্যাপারে দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিধি অনুযায়ী ক্রেতাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়ে ও সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিত করতে হবে। যদি দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা এসকল বিধি পালন করতে পারছে তাহলে পর্যায়ক্রমে সকল বিপণি বিতান-মার্কেট খুলে দেওয়া হবে।

এদিকে জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু বলেন, ‘‘দোকান বন্ধ রাখার জন্য অনেক মার্কেট মালিক সমিতি আমাদের কাছে আবেদন করেছিলো। আবার অনেকেই খোলা রাখার কথা বলছে। তাই জেলা প্রশাসন, সব মার্কেট মালিক সমিতির সাথে আলোচনা করে আমরা আপাতত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

‘আগামী দুই দিন দোকান খোলা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। যদি দেখা যায়, ক্রেতাদের সমাগম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না আর ব্যবসায়ীরাও সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না তবে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

Check Also

অসুস্থ শরীরেও ভিডিও কনফারেন্সে মাশরাফী

নিউজ ডেস্ক :  করোনা মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে নিজ এলাকাকে সুরক্ষিত রাখতে, আহ্বান জানিয়েছেন …

%d bloggers like this: