Home / জাতীয় / ‘কয় বেলা না খেয়ে থাকা যায়’

‘কয় বেলা না খেয়ে থাকা যায়’

নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস আতঙ্কে স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানীর জনজীবন। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেক শ্রমজীবী মানুষ। রোজগার না থাকায় তাদের খাবারও জুটছে না ঠিকমতো।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শ্রমজীবী অনেক মানুষ অলস সময় কাটাচ্ছেন।

কারওয়ান বাজারে রেললাইনের ধারে পাথরের ওপর শুয়ে আছেন অনেকে। নদীভাঙনের শিকার এসব মানুষ ঠাঁই নিয়েছিলেন এখানকার বস্তিতে। তাদের কেউ ঠেলাগাড়ি বা ভ্যান চালান, কেউ সবজি বিক্রি করেন। নারীরা বিভিন্ন বাসায় কাজ করেন কিংবা পিঠা বেচেন। বস্তি উচ্ছেদের পর খোলা আকাশের নিচেই বসবাস। তাদের বেশিরভাগই রংপুর, সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় রাজধানীতে লোক চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্য কমেছে। কোনো কাজ না পাওয়ায় বসে বসে সময় কাটাচ্ছেন তারা। রোজগার না থাকায় জুটছে না খাবারও।

বয়স্করা ক্ষুধা সইতে পারলেও শিশুরা পারছে না। খিদের চোটে কান্না করছে তারা। এতে অস্থির হয়ে পড়ছেন বড়রা। কিন্তু তাদের যেন কিছুই করার নেই। তারা কামনা করছেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে যাক। আবার স্বাভাবিক হোক জনজীবন। আবার তারা কাজ করে খাবার জোটাতে চান।

রেললাইনের পাশে নানা রকম সবজি নিয়ে বসে আছেন এক বিক্রেতা। ঠা ঠা রোদে সবজিগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। কোন ক্রেতা নেই।

ওই সবজি বিক্রেতা বলেন, ‘সকাল থেকে বসে আছি। বেচাকেনা নেই। না বেচতে পারলে খামু কী? আগে তো বেচাকেনা ভালোই হতো। এখন আর হয় না। আর সইতে পারছি না। কত বেলা না খেয়ে থাকা যায়?’

Check Also

করোনা আপডেট: মৃত্যু ৩৭, আক্রান্ত সর্বোচ্চ ২৯১১

নিউজ ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। …

%d bloggers like this: