Home / বিনোদন / টালিউড / ওকালতি ছেড়ে হঠাৎ অভিনয়ে

ওকালতি ছেড়ে হঠাৎ অভিনয়ে

বিনোদন প্রতিনিধি:  ইশা সাহা। পেশায় উকিল। নিবাস কলকাতার বাগুইয়াটি। এমনটা পরিচয় হতেই পারত। কিন্তু, না। ইশা সাহা অভিনেত্রী। ওকালতি পাশ করে তখন সবেমাত্র কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করছেন। ঠিক সেই সময়েই একটি অনুষ্ঠানে নজরে আসেন এক প্রযোজকের। ব্যাস, ঘুরে গেল ভাগ্যের চাকা। প্রথমে ছোটো পরদায় ঝাঁঝ লবঙ্গ ফুল। এরপর কয়েকদিনের মধ্যেই পরিচিতি পেলেন প্রজাপতি বিস্কুট ছবির শাওন হিসেবে।

ঝাঁঝ লবঙ্গ ফুল ধারাবাহিকের পর সটান প্রজাপতি বিস্কুট। ভাগ্যটা কি খুলে গেল শুরুতেই এমন পেশ্নের জবাবে ইশা বলেন, যাঁরা অভিনয় করতে চান তাঁদের প্রত্যেকের বড় পর্দায় কাজের ইচ্ছে থাকে। ছোটো পরদায় পাওয়া সুযোগ পেলে বড় পর্দাতেও পাওয়া যেতে পারে, এই বিশ্বাস থাকে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। তিনি বলেন, আমার ক্ষেত্রে সুযোগটা একটু তাড়াতাড়িই এল। একটা ধারাবাহিকে কাজ করার পরই বড় পরদা এবং সেই ছবি সফল। এটা ভাবনার অতীত ছিল। আমি কখনও অভিনয়ই করিনি। এমনকী স্কুলের নাটকেও অংশগ্রহণ করিনি। এক্ষেত্রে ভাগ্যটা আমার প্রতি সহায় হয়েছে বলতে আপত্তি নেই। ইশা বলেন, ঝাঁঝ লবঙ্গ ফুল থেকেই এসেছে এক প্রকার। অনিন্দ্য দা (চট্টোপাধ্যায়) টেলিভিশনে আমার কাজ মানে লবঙ্গকে দেখে একদিন ফোন করেন। বলেন, ওঁর একটা টিভি কমার্শিয়ালে কাজ করতে। আমি রাজি হই। কাজ চলাকালীনই বলেন, তোকে নিয়ে অন্য কিছু করার কথা ভাবছি। সেই অন্য কিছুটাই প্রজাপতি বিস্কুট।

তখন সবে এলএলবি পাশ করে হাইকোর্টে প্র্যাকটিসিং অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করছি। ৬ মাসের জন্য এটা আমাদের করতে হয়। তখন একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে এক প্রযোজকের সঙ্গে আলাপ হয়। আমার ফোন নম্বর নেন। ফোন করে বলেন ঝাঁঝ লবঙ্গ ফুলের কথা। অডিশনে যেতে বলেন। সাহস করে গেলাম। সিলেক্টও হলাম। নিজের প্রতি আস্থাটা বেড়ে গেল। তারপর ওয়ার্কশপ করানো হয় একটা। ব্যাস, সেই শুরু। তিনি বলেন, সেই সময় খুব টিভি দেখতাম। ভালো লাগত। অভিনয়ের মাধ্যমে কত সহজে আমজনতার কাছে পৌঁছে যাওয়া যায়, এটা খুব ইন্টারেস্টিং লাগত আমার। অভিনয় করব সেটা যেমন কোনওদিন ভাবিনি, তেমনি সুযোগ পেলে একটা চান্স নেব এটাও প্ল্যান ছিল। সুযোগটা যে সত্যিই একদিন বিনা খাটুনিতে আসবে ভাবিনি। সত্যিই ভাবিনি।

Check Also

তামাকের বিরুদ্ধে “সিগারেট”

নাসিফ শুভ: স্লো পয়জন হিসেবে সিগারেট সারা বিশ্বব্যাপী পরিচিত। ধূমপানে একদিকে যেমন নিজের ক্ষতি হয়, …

%d bloggers like this: