Home / জাতীয় / ইউনেস্কোর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ ওবায়দুল কাদেরের

ইউনেস্কোর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ ওবায়দুল কাদেরের

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক মার্চের ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করায় ‘ইউনেস্কো’র প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার (ইউনেস্কো) প্রতি তিনি এই কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণ সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করেছিল। এ ভাষণে সাড়ে ৭ কোটি বাঙালির দীর্ঘদিনের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবে প্রতিফলিত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে মুক্তিকামী বাঙালির সমস্ত আশা, আকাঙ্ক্ষা প্রতিধ্বনিত হয়েছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। একটি ভাষণ একটি জাতির মুক্তির সোপান, একটি ভাষণ একটি ঘুমন্ত জাতির জাগরণের মূলমন্ত্র, একটি ভাষণ নিপীড়িত-নির্যাতিত শোষিত মানুষের মুক্তির দিক-দর্শন, একটি ভাষণ স্বাধীনতার মহাকাব্য, একটি ভাষণ একটি জাতি রাষ্ট্রের চির অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস, একটি ভাষণ মহাকালের অভিশাপ মোচনের মন্ত্র হয়ে চিরকালের স্বপ্ন সারথী হতে পারে তারই জীবন্ত উদাহরণ বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণ।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বাঙালি জাতি এ ভাষণের মধ্য দিয়ে জেনে গিয়েছিল পাকিস্তানি শোসকগোষ্ঠীর সঙ্গে সশস্ত্র সংগ্রাম অনিবার্য। মূলত ৭ মার্চের ভাষণের পরই মুক্তিকামী বাঙালি জাতি সশস্ত্র সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

৭ মার্চের পর পুরো বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান)-এর নিয়ন্ত্রণ চলে যায় বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উড়তে থাকে স্বাধীন বাংলার পতাকা। এরপর ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র।

বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের ধ্রুপদী বক্তৃতাগুলোর অন্যতম হিসেবে ইতিমধ্যেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্বীকৃত। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পুস্তকে কালজয়ী এ ভাষণটি সংকলিত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক গবেষকগণ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের বহুমাত্রিকতা নিয়ে কাজ করছেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের। বঙ্গবন্ধুর এই কালজয়ী ভাষণ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বাঙালি জাতির চির অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

Check Also

রাতে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) …

%d bloggers like this: