Home / খেলাধুলা / আনন্দে কাঁদলেন আঁখির বাবা

আনন্দে কাঁদলেন আঁখির বাবা

স্পোর্টস ডেস্ক: মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা বাংলাদেশের ঘরে। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরেও বইছে আনন্দের বন্যা। ওই উপজেলায় যে আঁখি খাতুনের বাড়ি। আসরের সেরা ফুটবলার হয়েছে আঁখি। আজ সোমবার কথা হয় আঁখির বাবা আখতার হোসেনের সঙ্গে। তিনি মেয়ের সফলতায় কেবলই কাঁদছেন। এ আনন্দের কান্না। তিনি জানালেন, তাঁর পরিশ্রম সার্থক।

শাহজাদপুর উপজেলায় আঁখিদের গ্রামের নাম পাটখোলা। বাবা আখতার হোসেন তাঁত বুননের কাজ করেন। বাবার পরিচয় ছাপিয়ে দেশের মানুষ এখন চিনছে আঁখিকে। আঁখির জন্য সবাই জানছে পাটখোলা গ্রামের নামও। ওই গ্রামে বইছে আনন্দের বন্যা।

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। আঁখি মাঝমাঠে খেলেন। ফাইনালসহ পুরো আসরেই মাঝমাঠে আঁখির প্রাধান্য ছিল চোখে পড়ার মতো। আর এ কারণেই আসর সেরার পুরস্কার উঠেছে আঁখিরই হাতে।

চলতি আসরে গোলও করেছেন আঁখি। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভুটানের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয়ী হয় বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের দুটি গোল আঁখির করা।

বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ থেকে আঁখির উত্থান। শাহজাদপুর ইব্রাহিম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অংশ নেয় ওই টুর্নামেন্টে। রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত উঠেছিল স্কুলটি। এরপরই জাতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষকদের নজরে আসে আঁখি। এর পর থেকে আঁখির ঠিকানা বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। তাজিকিস্তানে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম খেলে আঁখি।

মেয়েকে ফুটবল খেলতে পাঠানো ছিল আখতারের কাছে ‘বিলাসিতা’। শুরুতে রাজি হননি। তাদের রাজি করান স্কুলশিক্ষক মনসুর রহমান। কারণ সবার আগে তিনিই বুঝতে পারেন এই মেয়ে একদিন ফুটবল খেলে অনেক দূর যাবে। বাড়ির পাশে মনসুর আহমেদের অধীনে অনুশীলন করে আঁখি। আঁখির ভাই নাজমুল ইসলাম তাকে ইউটিউবে খেলা দেখায় এবং শেখায়।

কথা হয় আঁখির বাবা আখতার হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার সারা জীবনের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে আমার মেয়ে আঁখিকে দিয়ে।’ এরপর কেবল কাঁদলেন। তিনি আঁখির জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

Check Also

গার্দিওয়ালার অধীনে আবারও যাবেন মেসি?

নিউজ ডেস্ক  : নির্ঘুম রাত কাটছে মেসি ভক্তদের। ক্লাবের সবচেয়ে বড় তারকা যে আনুষ্ঠানিক জানিয়ে …

%d bloggers like this: