Home / আর্ন্তজাতিক / অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ১৭টি নতুন অভিযোগ

অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ১৭টি নতুন অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উইকিলিকসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে নতুন করে ১৭টি অভিযোগ দায়ের করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আইন দফতর। গোপন নথি সংগ্রহ এবং অবৈধভাবে সূত্রের নাম প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। খবর বিবিসির।

এর আগে গত মাসে পেন্টাগন নেটওয়ার্ক হ্যাক করতে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষক চ্যালসিয়া ম্যানিংয়ের সঙ্গে ষড়যন্ত্রের একটি অভিযোগ দায়ের করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে যুক্তরাজ্যের কারাগারে এক বছরের সাজা ভোগ করছেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ।

২০১০ সালে পেন্টাগন ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লাখ লাখ গোপন তারবার্তা ও নথি ফাঁস করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে উইকিলিকস ও এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। সেই গোপন তারবার্তায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মার্কিন কূটনীতিকদের নানা তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে বিপাকে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

নতুন অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে গোপন সামরিক ও কূটনৈতিক নথি প্রকাশ করে মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তি আইন লঙ্ঘন করেছেন অ্যাসাঞ্জ। এতে আরও বলা হয়, গোপন নথির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিদের তা চুরি ও উইকিলিকস-এ প্রকাশের জন্য বার বারই উৎসাহ দিয়ে গেছেন অ্যাসাঞ্জ। ম্যানিং এ ধরনের উপকরণ সরবরাহ করতে শুরু করার পর তা অব্যাহত রাখতে তাকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোর বেশিরভাগেরই সর্বোচ্চ সাজা ৫ থেকে ১০ বছরের।

এর আগে সুইডেনে দুই নারীকে দুই নারীকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগে ২০১০ সালের আগস্টে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে সুইডেনের আদালত। তবে একদিনের মাথায় পরোয়ানা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

তবে সে দেশে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে ২০১০ সালের নভেম্বরে আবারও অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরোয়ানা জারি করা হয়। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে তিনি যুক্তরাজ্যের আদালতে আত্মসমর্পণের ১০ দিনের মাথায় জামিন পান।

অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা আদালতে নতুন পরোয়ানাকে অবৈধ দাবি করলেও ২০১২ সালের মে মাসে যুক্তরাজ্যের আদালত একে বৈধ বলে রায় দেয়। রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য থেকে সুইডেনে বা যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হতে পারে আশঙ্কায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে ২০১২ সালের জুন মাসে অ্যাসাঞ্জ ইকুয়েডর দূতাবাসে যান এবং রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। জামিনের শর্ত ভঙ্গের দায়ে গত ১ মে তাকে ৫০ সপ্তাহের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

Check Also

ট্রাম্পের অনুরোধ উপেক্ষা করেছে মার্কিন নৌবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপান সফরের সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি অনুরোধ উপেক্ষা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। …

%d bloggers like this: